td-cloud-library domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/fortunead/chaloman-shomoy.fortunead.com.bd/wp-includes/functions.php on line 6170তবে, এক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তিকে অবশ্যই ‘ভালো মানসিকতাওয়ালা মানুষ দিয়ে ব্যবহার করানো উচিৎ’ বলে সতর্ক করেছেন মাইক্রোসফটের এই সহপ্রতিষ্ঠাতা।
সম্প্রতি লন্ডনে আয়োজিত ‘ব্রেকথ্রু এনার্জি সামিট’-এ স্কাই নিউজের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় এমন মন্তব্য করেন গেটস।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘কিছুটা বিনয়ী ভূমিকা পালন করেছে’ এআই। তবে, এর মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্ভাবন ‘আগের চেয়ে সহজ’ হয়ে উঠবে।
“এআইয়ের সহায়তায় আমরা বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়াদি মডেলিং করতে পারি, যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন উপাদান ও প্রভাবক সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বোঝা ও কীভাবে প্রোটিন তৈরি করা যায়, সে বিষয়টিও,” বলেন তিনি।
“সকল ক্ষেত্রেই উদ্ভাবনের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে এআই। সেটা ওষুধ খাত বা পড়াশোনায় সহায়তা করা, যাই হোক না কেন।”
“জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ফিউশন শক্তি মডেলিংয়ের মতো কাজগুলো জটিল হয়ে উঠেছে। তবে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, এআই এ কাজ আরও সহজ করে তুলবে।”
]]>টেকসই ও বিভিন্ন নতুন পদ্ধতিতে শক্তি সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সৌর কোষ অন্যতম প্রধান উপায় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে বেশ কিছু কারণে এগুলোর মধ্যে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে, যেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আলোকে সৌর কোষ দিয়ে শোষণ করার ক্ষেত্রে সঠিক রং থাকার বিষয়টি। এর পাশাপাশি, পর্যাপ্ত আলোক শক্তি শোষণের ক্ষেত্রে সৌর কোষগুলো তুলনামূলক পুরু হওয়া দরকার।
বিজ্ঞানীদের আশা, একদিন এমন একটি সৌর কোষও বানানো সম্ভব হবে, যেগুলো ‘প্যানক্রোম্যাটিক’ বা দৃশ্যমান আলোর পুরো বর্ণালী শোষণ করতে সক্ষম। এমনকি এদেরকে আরও পাতলা করে বানানোর সম্ভাবনাও আছে যাতে কোষগুলো আগের তুলনায় পাতলা ও হালকা হয়।
বিজ্ঞানীরা প্রায়শই দাবি করেন, এই সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়ার আলো-সংগ্রহকারী অ্যান্টেনা। তবে এটি একটি সতর্কবার্তাও বটে। কারণ শোষিত আলোর সকল শক্তি সংগ্রহ করতে সৌর কোষগুলোয় বিভিন্ন রঙের প্রয়োজন পড়ে।
এখন গবেষকরা বলছেন, তারা নতুন এক ধরনের ‘লাইট-হারভেস্টিং’ পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন, যা আগের প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর চেয়ে একেবারে আলাদা ও সৌর কোষের সমস্যা কাটিয়ে তোলার বেলাতেও সহায়ক।
‘জুলিয়াস-ম্যাক্সিমিলিয়ানস-ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাপক ফ্রাঙ্ক ওয়ার্থনার বলেছেন, এর কাঠামো অনেকটা সেমিকন্ডাক্টরের মতো, যা একে ‘চোখের দৃষ্টিসীমানা জুড়ে’ আলো শোষণের সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে, এক্ষেত্রে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া রঙের ওপরও নির্ভর করতে হয়। এর মানে, একটি পাতলা স্তরে বিশাল পরিমাণ আলোক শক্তি সংগ্রহ করা যেতে পারে, অনেকটা ‘লাইট-হারভেস্টিং’ পদ্ধতির মতোই।
নির্মাতারা যে পদ্ধতিকে ‘লাইভ-হার্ভেস্টিং অ্যান্টেনা’ বলে ডাকছেন, তা চারটি ভিন্ন রং নিয়ে সেগুলোকে ভাঁজ করে যাতে রংগুলো একে অপরের সঙ্গে আঁটসাঁট হয়ে থাকে। আর যেহেতু এগুলো খুবই গোছানো অবস্থায় রাখা, তাই এগুলো থেকে খুব দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে শক্তি আদান প্রদান করা যায়।
সিস্টেমটিকে ‘ইউপিআরবি’ নাম দিয়েছেন নির্মাতারা, যা মিলে যায় চারটি এমন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সঙ্গে, যেগুলো সেই ভাঁজ করা অতিবেগুনী, লাল, বেগুনি ও নীল রঙের উপাদানে শোষিত হয়।
এ গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘কেম’-এ ‘প্যানক্রোম্যাটিক লাইট-হার্ভেস্টিং অ্যান্টেনা বাই সুপারমলিকিউলার এক্সিশন ব্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফর হেটারোমেরিক ডাই ফোল্ডামের’ শীর্ষক শিরোনামে।
]]>অন্যান্য শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানির মতো, মেটাও একটি সতর্কতা লেবেল যোগ করে নিজেদের প্ল্যাটফর্মে এআইয়ের তৈরি ছবি বা লেখা পোস্ট করার অনুমতি দিচ্ছে।
কোম্পানির নির্বাহীরা এটিকে কার্যকর উপায় হিসেবে দেখছেন বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট। তারা বলেছেন, এটি মানুষকে এআই ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি পোস্টের বাস্তবতার বিষয়ে দর্শকশ্রোতারা যেন সচেতন হন সেটিও নিশ্চিত করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ইনস্টাগ্রাম ও অন্যান্য মেটা প্ল্যাটফর্ম পোস্টে সতর্কতা লেবেল যোগ করার ফিচার চালু করা হয়, যা নির্দেশ করে নির্দিষ্ট কোনো পোস্ট অথবা ছবি “এআই দিয়ে তৈরি” ছিল। এ লেবেলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তৈরি হয়। পাশাপাশি, কেউ পোস্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করলে নিজে থেকেই এ সতর্ক বার্তা যোগ করার সুযোগ পান এ ফিচারের মাধ্যমে।
তবে, সম্প্রতি আলোকচিত্রী ও অন্যান্য ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা বলছেন, এআই প্রযুক্তির সামান্য ব্যবহারও তাদের পোস্টে এআই সতর্কতা লেবেল যোগ করছে। এআই টুল ব্যবহার করে, ছবির একটি পিক্সেল পরিবর্তন করাও এ সতর্কতা লেবেল যোগ হওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
আর এতেই উঠেছে অভিযোগ। অনেকের দাবি, এর ফলে মানুষ একটি আসল ছবিকেই অবিশ্বাস করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে, ফটোশপে একটি ছবির অদৃশ্য অংশ এআই টুলের সাহায্যে এডিট হলে, সেখানেও যোগ হতে পারে এআই লেবেল।
মেটা বলছে, কোম্পানিটি এমন প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এসব প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তন করতে পারে বলেও পরামর্শ দিয়েছে তারা।
“মানুষ এআই তৈরি কনটেন্ট দেখলে সবসময় সেটি তাদের জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। আমরা সম্প্রতিক প্রতিক্রিয়াগুলো বিবেচনা করছি এবং পদ্ধতির মূল্যায়ন চালিয়ে যাচ্ছি; যাতে আমাদের লেবেল একটি ছবিতে ব্যবহৃত এআই-এর পরিমাণও তুলে ধরতে পারে।” – বলেছেন মেটার এক মুখপাত্র।
“আমরা এ খাতের ভাল মানের বিভিন্ন সূচকের ওপর নির্ভর করি, অন্যান্য কোম্পানিও টুল হিসেবে তাদের কনটেন্টে যোগ করে থাকে। প্রক্রিয়াটিকে আরও উন্নত করতে এ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করছি, যাতে লেবেলিং পদ্ধতিটি আমাদের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলে।”
অন্যান্য অনেক প্ল্যাটফর্মের মতো মেটা আংশিকভাবে ‘ফিঙ্গারপ্রিন্টিং’ প্রযুক্তির ওপরে নির্ভর করে, যা অ্যাডোবি ফটোশপের মতো ছবি এডিট করার অ্যাপগুলোকে আলাদা একটি ফাইলে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি দেয়। এসব তথ্য নির্দেশ করে যে ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এডিট করা হয়েছে। একজন দর্শক তথ্যগুলো না দেখলেও, তাদের এর মূলভাব বোঝানোর জন্য তথ্যগুলো মেটাডেটায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
]]>বুধবার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ‘ইসরায়েল ইনোভেশন অথরিটি’ ঘোষণা দেয়, টেন্ডারটির কার্যক্রম চালু হবে জুলাই মাস থেকে।
সংস্থাটির সিইও ড্রোর বিন এক এআই সম্মেলনে বলেন, প্রযুক্তি খাতে এতদিন এআই ইসরায়েলের বন্ধু হিসেবে কাজ করলেও এর দ্রুত বিকাশের কারণে যে কোনো দিন এটি শত্রুতেও পরিণত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এজন্য সরকারি, শিল্প ও শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্ট এক জাতীয় এআই প্রকল্পের জন্য ২৫ কোটি ডলারের বাজেট বরাদ্দ করছে ইসরায়েল সরকার, যার মধ্যে ৬০ শতাংশ খরচ হবে ২০২৪ সালেই। আর প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৭ সালে, যেখানে আর্থিক তহবিল বাড়ার সম্ভাবনাও আছে।
পাবলিক সেক্টরে ইসরায়েল বছরওয়ারি যতো পণ্য বা সেবা তৈরি করে, তার ২০ শতাংশই থাকে প্রযুক্তিবিষয়ক, যার ফলে দেশটি গোটা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।
বিন বলেন, ইসরায়েলের নয় হাজার স্টার্টআপের মধ্যে দুই হাজার দুইশটিরও বেশি কোম্পানিতে এআই ব্যবহৃত হচ্ছে। আর সবচেয়ে বেশি জেনারেটিভ এআই কোম্পানি থাকা দেশের বৈশ্বিক তালিকায় ইসরায়েলের অবস্থান তৃতীয়, যেখানে এ প্রযুক্তিভিত্তিক কোম্পানির সংখ্যা ৭৩টি।
“আমাদের লক্ষ্য হল, ইসরায়েল যেন বৈশ্বিক এআই দৈড়ে নিজের নেতৃত্ব, র্যাংকিং ও অবস্থান ধরে রাখতে পারে, তা নিশ্চিত করা,” বলেন তিনি।
তিনি আরও যোগ করেন, এক্ষেত্রে বড় বড় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো একটি সুপারকম্পিউটার থাকা খুবই জরুরী।
“কোনো হাইটেক কোম্পানি বা গবেষক একটি বড় মডেলকে প্রশিক্ষণ দিতে চাইলে তাদেরকে ক্লাউডে সময় কিনতে হয়। আর এখনও বিশাল পরিমাণ জিপিইউওয়ালা (গ্রাফিক প্রসেসিং ইউনিট) স্থানীয় ডেটা সেন্টারও গড়ে ওঠেনি, যা এইসব মডেলকে প্রশিক্ষণ দিতে পারে,” বলেন তিনি।
]]>ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)-এর সঙ্গে যৌথ আয়োজনে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংগঠনটির অষ্টাদশ সম্মেলন ও কর্মশালা।
১২-১৫ জুলাইয়ে আয়োজিত এবারের সম্মেলনে বিডিনগের দশকপূর্তী উদযাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে এতে এক দিনের সম্মেলন ও তিন দিনের কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। কর্মশালায় ইন্টারনেট প্রকৌশলীদের নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি, সেগমেন্ট রাউটিং এবং অ্যাডভান্সড বিজিপি এবং আইএক্সপি রাউটিং উইথ মাইক্রোটিক বিষয়ে প্রশিক্ষণের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিডিনগ বোর্ড অফ ট্রাস্টির চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ সাবির এ প্রসঙ্গে বলেন, “বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, বিভিন্ন অপারেশনাল রিসার্চ সম্পাদন, স্থানীয় আইসিটি ট্যালেন্টদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রমোট করা এবং বাংলাদেশের জন্য বেটার ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করতে সহায়তা করার উদ্দেশ্য নিয়ে নিয়মিতভাবে এ সম্মেলন আয়োজন করে আসছি আমরা।”
“১০ বছর আগে আমরা যখন এই সম্মেলন শুরু করেছি, তখনকার সঙ্গে তুলনা করলে এখন আমাদের ইন্টারনেট প্রকৌশলীরা আরও অনেক বেশি দক্ষ। এই দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে বিডিনগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”
আইএসপিএবি সভাপতি ইমদাদুল হক এ প্রসঙ্গে বলেন, “নিয়মিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে তৈরী দক্ষ প্রকৌশলীরা এরইমধ্যে বিদেশে নিজেদের কর্মক্ষেত্র তৈরির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অবদান রাখছেন। আশা করি, যৌথভাবে আরও অধিক সংখ্যক প্রকৌশলীর দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমরা অবদান রাখতে পারবো।”
]]>বৃষ রাশি (২০ এপ্রিল – ২০ মে) সপ্তাহের শুরুতে টাকা পয়সা লাভ প্রত্যাশা মাফিক হবে না। এমন একটা সময় যেখানে ভালো ও মন্দ ঘটনা ঘটবে আর পরিশ্রান্ত ও বিভ্রান্ত করে ছাড়বে। সপ্তাহের মাঝদিকে মিষ্টি ভালোবাসার জীবনে চমৎকার মসলার উপস্থিতি লক্ষ করতে পারেন। কল্যাণকর সময় কারণ সব কিছুই অনুকূলে থাকবে। সপ্তাহের শেষদিকে আর্থিক ক্ষেত্রে উন্নতির কারণে দীর্ঘ দিনের বকেয়া প্রদান করার সুবিধাজনক হবে। বন্ধু ও আত্মীয়রা আপনার কাছে আরও বেশি মনযোগ চাইবে।
মিথুন রাশি (২১ মে – ২০ জুন) সপ্তাহের শুরুতে ভালোবাসার উচ্ছাসে স্বপ্ন ও বাস্তবতা মিশে যাবে। অতীত সুখ স্মৃতিগুলো ব্যস্ত করে রাখবে। কোনো আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব বা বয়স্ক কেউ পথ প্রদর্শন করাবে। সপ্তাহের মাঝদিকে পরিবারের সাথে কেনাকাটায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ব্যয় করতে পারেন। সপ্তাহের শেষদিকে প্রাণোচ্ছল হাসিপূর্ণ সময়। কাজে কর্মে অগ্রগতি দেখতে পারেন। যদি বাড়তি উপার্জনের উপায় খোঁজেন তবে নিরাপদ আর্থিক পরিকল্পনাগুলোতে বিনিয়োগ করুন।
কর্কট রাশি (২১ জুন – ২২ জুলাই) সপ্তাহের শুরুতে ঊর্ধ্বতনদের পাশাপাশি সহকর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থন কর্মক্ষেত্রে সাহস বাড়িয়ে তুলবে। তবে কীভাবে এটিকে উন্নত করতে পারেন সে সম্পর্কে বিশ্লেষণ করতে হবে। সপ্তাহের মাঝদিকে ভালোবাসার জীবনে একটি আশ্চর্যজনক সময় হতে চলেছে। সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করায় সবার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবেন। সপ্তাহের শেষদিকে বুঝে খরচ করুন। আজেবাজে খরচ না করার চেষ্টা করতে হবে। লোকেরা আপনার সৌন্দর্য ও পরিধানের জন্য প্রশংসা করবে। অন্যেরা আপনাকে দেখে প্রভাবিত হবে।
সিংহ রাশি (২৩ জুলাই – ২২ অগাস্ট) সপ্তাহের শুরুতে বৈদেশিক বাণিজ্যে শুভ যোগাযোগ ঘটতে পারে। এমনকি বিদেশ ভ্রমণের মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন। আপনার ভালোবাসা প্রিয়জনের জন্য ফাগুন ধারার মতো প্রবাহিত হতে পারে। সপ্তাহের মাঝদিকে শিল্পক্ষেত্রে, কর্পোরেট সংস্থায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের পদোন্নতির সুযোগ আসতে পারে। সময় বেশ অনুকূল হবে কারণ দুর্দান্ত পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা অর্জন করবেন যা ক্যারিয়ারে অগ্রগতিতে বেশ সহায়ক হবে। সপ্তাহের শেষদিকে আপনার রসবোধ শ্রেষ্ঠ সম্পদ হতে পারে। ফলে রোমান্টিকতা আপনাকে ঘিরে রাখতে পারে। পুরানো পরিজন ও সম্পর্কগুলো পুনরুজ্জিবিত করার পক্ষে সময়টি ভালো। আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সমতা রক্ষা করে চলুন। কারণ সামাজিকতা ও লৌকিকতার কারণে অর্থ ব্যয়ের যোগ রয়েছে। আচরণ ও কথায় নিয়ন্ত্রণ আনুন, নয়তো বিবাদের সম্ভাবনা।
কন্যা রাশি (২৩ অগাস্ট – ২২ সেপ্টেম্বর) সপ্তাহের শুরুতে আঘাত এড়ানোর জন্য চলাচলের সময় বিশেষ যত্ন নিন। রক্তচাপের রোগীরা ভিড় বাসে চড়ার সময় স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া আবশ্যক। সপ্তাহের মাঝদিকে ভ্রমণে প্রেমঘটিত যোগাযোগ বাড়াবে। এটি এমন একটি সময় যখন রোমান্টিক ভ্রমণে যেতে পারেন। দূরের জায়গায় আত্মীয়রা আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সপ্তাহের শেষদিকে কাজ ক্লান্তিকর ও চাপপূর্ণ হবে। তবে সহকর্মীদের সঙ্গ আপনাকে খুশির মেজাজে রাখবে। আইটি পেশাদাররা তাদের সাহস প্রমাণ করার জন্য সুযোগ পাবেন। প্রেম বসন্তের মতো হয়। যেখানে ফুল, বাতাস, রোদ প্রজাপতি সব থাকে। তাই আপনি প্রচুর রোমান্টিক স্পর্শ অনুভব করবেন। প্রচুর আমন্ত্রণ পাবেন। এমনকি আকর্ষণীয় উপহারও আসতে পারে।
তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর – ২২ অক্টোবর) সপ্তাহের শুরুতে স্বামী/ স্ত্রীর সঙ্গে ভালোবাসা ও আরামের মাধ্যমে স্বস্তি খুঁজে নিন। ব্যবসায়িক অংশীদাররা সহায়ক আচরণ করবে। আর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য একসাথে কাজ করবে। সপ্তাহের মাঝদিকে কিছু প্রতিকূলতার সম্মুখীন হওয়া সম্ভবপর। মনক্ষুণ্ন হবেন না। আর আকাঙ্ক্ষিত ফল পেতে কঠোর পরিশ্রম করুন। প্রতিকূলতা সাফল্যের পদক্ষেপে পরিণত হতে দিন। সপ্তাহের শেষদিকে দূরবর্তী স্থানে যাত্রা আরামদায়ক হবে না। তবে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বানাতে সাহায্য করবে। যারা কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজছেন তারা আজ কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির সাথে দেখা করতে পারেন। কারও জন্য পদোন্নতির সুযোগ অত্যন্ত সম্ভাব্য।
বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর – ২১ নভেম্বর) সপ্তাহের শুরুতে চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। তাই বিশ্রাম নেওয়ার প্রতি জোর দিন। ইচ্ছাশক্তির অভাব আপনাকে আবেগগত ও মানসিক মানোভাবের শিকার করতে পারে। সপ্তাহের মাঝদিকে বুঝতে পারবেন সঙ্গী একজন দেবদূত। ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারে। সপ্তাহের শেষদিকে সাবধানে চলাফেরা করবেন। দেহে আঘাত লাগার সম্ভাবনা। রাজনৈতিক কোনো ঘটনায় শারীরিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। বেকারদের কেউ কেউ ঝুঁকিপূর্ণ বিদেশ যাত্রায় সফল হতে পারেন। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রের শিক্ষার্থীরা শুভ ফল পেতে পারেন। ধর্মকর্মে আকর্ষণ বৃদ্ধি।
ধনু রাশি (২২ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর) সপ্তাহের শুরুতে পরিবেশ আপনার জন্য প্রেমময় হয়ে উঠবে। মনের কথা বলতে ভয় পাবেন না। ভালো খাবার, রোমান্টিক মুহূর্ত সবকিছুর পূর্বাভাস রয়েছে। একই স্থানে দাঁড়িয়ে প্রেম একটি নতুন বিশ্বে আপনাকে সঞ্চারণ করাবে। সপ্তাহের মাঝদিকে নিজের ঈর্ষাপরায়ণ ব্যবহার দুঃখবোধ জাগাবে। চিকিৎসা করানোর জন্য সময়টি শুভ। মানসিক অসুস্থতা তৈরি হওয়ার আগে নেতিবাচক চিন্তাগুলো ধ্বংস করে ফেলুন। সপ্তাহের শেষদিকে সঙ্গীর সাথে দ্বন্দ্ব হতে পারে কারণ আপনি তার সাথে কিছু শেয়ার করতে ভুলে যেতে পারেন। তারপরও দেখতে পাবেন সঙ্গী আরও যত্নশীল হয়ে উঠেছে। জীবজন্তু দংশনের আশঙ্কা রয়েছে। নতুন কোনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায় বিনিয়োগ না করাই ভালো।
মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর – ১৯ জানুয়ারি) সপ্তাহের শুরুতে উচিত হবে জমি, বাড়ি সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ বিনিয়োগ করা। পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটানোর ফলে একাকিত্বের অনুভূতি কাটিয়ে উঠতে পারেন। সপ্তাহের মাঝদিকে হৃদয় ও মনে প্রেম বিরাজ করতে পারে। ভালোবাসা প্রিয়জনের জন্য ফাগুনধারার মতো প্রবাহিত হতে পারে। সপ্তাহের শেষদিকে অসুখী শরীর মানসিক অসুস্থতার কারণ হতে পারে। ঢাকা না দেওয়া খাবার খাবেন না। নইলে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। দাম্পত্য সম্পর্ক উন্নত হতে পারে। ব্যবসায়ে নতুন বিনিয়োগ করতে পারেন।
কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি) সপ্তাহের শুরুতে নিকটজনের কোনো শুভ খবরে আনন্দিত হতে পারেন। কোনো ব্যবসায়ীক/ আইনি কাগজপত্র ভালোভাবে না পড়ে সই করবেন না। আপনার যোগাযোগ দক্ষতা হৃদয়গ্রাহী হবে। সপ্তাহের মাঝদিকে ঘরে কোনো শুভ অনুষ্ঠান হতে পারে। কারও নতুন বাসগৃহ অথবা জমি ক্রয়ের সম্ভাবনা। বন্ধুরা এখন খুব সহায়ক। তবে এর জন্য দ্রুত প্রতিদানের প্রয়োজন হতে পারে। সপ্তাহের শেষদিকে প্রেমের জীবন আশাপ্রদ হতে পারে। সঙ্গীর সঙ্গে হৃদস্পন্দন মেলাতে পারেন। যাদের হাঁপানি বা হৃদ দুর্বল তাদের বিশেষ কষ্ট হতে পারে। স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিতে হবে।
মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ) সপ্তাহের শুরুতে এটাই বিনিযোগের সঠিক সময়। বিনিয়োগ বুদ্ধিমত্তার সাথে করুন। নির্দিষ্ট কিছু জরুরি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়ার কারণে অর্থনৈতিকভাবে নতুন লক্ষ্য এনে দেবে। সপ্তাহের মাঝদিকে মানসিক চঞ্চলতা বৃদ্ধি পেতে পারে। চিন্তাভাবনা করে অগ্রসর হন। যে কোনো চুক্তি সম্পাদনের জন্য অত্যন্ত শুভ সময়। সাংবাদিকদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পেতে পারে। সপ্তাহের শেষদিকে যদি এমন কোনো জায়গায় আমন্ত্রিত হন যেখানে কখনও যাননি তবে সুন্দরভাবে সেটা গ্রহণ করতে চেষ্টা করুন। পরিবার আপনার সব প্রচেষ্টার জন্য পাশে থাকবে। মেধাবী তরুণ/ তরুণীদের পরীক্ষা বা চাকরি লাভের ওপর শুভ সংযোগ হতে পারে। প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে। বিশ্বের যত উচ্ছাস আবেগ দুজনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে। ক্ষেত্র বিশেষে নতুন প্রেমের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে।
]]>প্রায় এক যুগ ধরে প্রতিষ্ঠিত থাকা এই খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে অনেকেই দাবি করেন জাম্বুরাতে থাকা এক ধরনের এঞ্জাইম চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। আর এই ফলে আঁশের পরিমাণ বেশি বলে খিদা লাগে কম। ফলে খাওয়া হয় কম।
জাম্বুরা ডায়েট বলতে যা বোঝায়
“কৌশলটা খুব সোজা”- ইটদিস নটদ্যাট ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মন্তব্য করেন অ্যারিজোনা নিবাসী মার্কিন পুষ্টিবিদ ক্রিস্টেন কার্লি।
স্বল্প কার্ব ও উচ্চ প্রোটিন যুক্ত খাবার খেতে হবে প্রতিবেলায়। আর প্রতিবার খাওয়ার আগে অর্ধেক জাম্বুরা গ্রহণ বা এক গ্লাস জাম্বুরার রস পান করতে হবে।
অনেকে আবার ক্যালোরির পরিমাণ কমানোর জন্য বিশেষ ধরনের খাবার বেছে নেন।
কালিং বলেন, “এই খাদ্যাভ্যাসটা মজাদার আর কার্যকর মনে হতে পারে। তবে আসল বিষয় হল- ক্যালোরি কম গ্রহণের কারণেই ওজন কমে। এখানে টক বা সিট্রাস ফলের কোনো জাদুকরী শক্তি কাজ করে না।”
উপকারিতা
জাম্বুরাতে ক্যালরি কম আঁশ বেশি। ফলে অনেকক্ষণ পেটভরা অনুভূতি দিতে পারে। যে কারণে খাওয়া কম হয়। আর টক ফল হিসেবে ভিটামিন সি’তে ভরপুর। যা রোগ প্রতিরোধ শক্তিতে ভূমিকা রাখে।
তবে জাম্বুরাতে থাকা এঞ্জাইম যে চর্বি কমাতে সাহায্য সে ব্যাপারে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়া’র ‘স্ক্রিপ্স ক্লিনিক, লো জোলা’র পরিচালিত গবেষণার ফলাফল বলে- অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা খাওয়ার আগে অর্ধেক জাম্বুরা খেয়েছে তাদের উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ওজন কমতে দেখা গেছে।
জাম্বুরা ডায়েটের ঝুঁকি
মজার মনে হলেও এই খাদ্যাভ্যাসের কিছু ঝুঁকিও রয়েছে।
কার্লি বলেন, “জাম্বুরা কোনো কোনো ওষুধের ক্ষেত্রে বিরোধী আচরণ করে। বিশেষ করে কিছু অ্যান্টি অক্সিডেন্ট-ধর্মী ওষুধের ওপর। এই ফলে থাকা যৌগ ওষুধ সঠিকভাবে হজম করতে দেয় না। যে কারণে রক্তপ্রবাহে ওষুধের মাত্রা বেশি থেকে যেতে পারে। যা স্বাস্থ্যের জন্য হানীকর।”
তাই কোনো ওষুধের মধ্যে থাকলে জাম্বুরা গ্রহণের ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন এই পুষ্টিবিদ।
পাশাপাশি এই খাদ্যাভ্যাস দ্রুত ওজন কমানোর কারণে চর্বির পরিবর্তে অতি মাত্রায় পেশির ক্ষয় করতে পারে। কারণ ক্যালোরি কম গ্রহণের কারণে দেহ শক্তি পাওয়ার জন্য পেশির কোষ ভেঙে শক্তি যোগানোর চেষ্টা করে।
পেশির পুরুত্ব ও দ্রুত ওজন কমার কারণে বিপাক প্রক্রিয়া ধীর হয়। য়ে কারণে স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ফিরে গেলে দ্রুত ওজন বেড়ে যেতে থাকে।
জাম্বুরা ডায়েট কি কার্যকর?
যদিও কারও কারও উপকার হয়। তবে উল্টো দিকটাও নজরে রাখা জরুরি।
“জাম্বুরার কোনো জাদুকরী শক্তির কারণে নয় বরং ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমানোর কারণে ওজন কমে। তাই দীর্ঘমেয়াদে এই খাদ্যাভ্যাসে থাকলে অস্বাভাবিক পেশির ক্ষয়, পুষ্টির অভাব ও বিপাক প্রক্রিয়াতে সমস্যা দেখা দিতে পারে” বলেন কার্লি।
এছাড়া যে কোনো ডায়েটের মাধ্যমে ওজন কমানো হলেও, স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ফিরলে আবার ওজন বেড়ে যায়।
]]>